মালদা শহরে যুব তৃণমূলের মিছিলে জনসমুদ্র
দি নিউজ লায়ন ; রঙিন সাজে মালদায় যুব তৃণমূলের মহামিছিলে জনজোয়ার নেমে এলো। সাঁওতালি নাচ, গম্ভীরা গান, ব্যান্ড পাটি নিয়ে মালদা শহরে তৃণমূলের মহামিছিল। তার সঙ্গে মহামিছিলে কেউ সাজলেন তৃণমূলের রঙিল পতাকার অনুকরণে। আবার কাউকে দেখা গেল যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জীর মুখোশ পরে মিছিলে যোগ দিতে। বুধবার মালদা জেলা যুব তৃণমূলের ডাকে মহামিছিলের আয়োজন করা হয়।
পাশাপাশি মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে তৃণমূলের জনসভায় এক সঙ্গে হাত মিলিয়ে মঞ্চে সামিল হলেন তৃণমূলের জেলার নেতানেত্রীরা। এদিন দুপুর একটায় মালদা শহরের কলেজ মাঠ এলাকা থেকে শুরু হয় যুব মহামিছিল। যার নেতৃত্বে ছিলেন সংগঠনের মালদা জেলা সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস। প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে মালদা শহরের বিভিন্ন রাস্তার পরিক্রমা করে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শেষ হয় তৃণমূলের এই মহামিছিলটি। জেলা যুব তৃণমূলের উদ্যোগে এত বড় মিছিল বিগত দিনে আগে কখনো দেখেনি মালদাবাসী বলে দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
মিছিল শেষে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে যে সভা মঞ্চ করা হয়েছিল, সেই মঞ্চে একসঙ্গে দেখা গেল প্রাক্তন দুই মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র এবং কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীকে।পাশাপাশি এদিনের মহা মিছিল এবং সভামঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৌসম নুর , ইংরেজবাজার টাউন তৃণমূল সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি সহ অন্যান্যরা। এদিন প্রত্যেক নেতা গাজোলে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া বিধায়ক দিপালী বিশ্বাসের সমালোচনা করেন।
পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে তাকে গাদ্দার আখ্যা দিয়ে তীব্র ভৎসনা করেন। জেলা যুব তৃনমূলের সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস বলেন, গত ২৩ মার্চ রাজ্য নেতৃত্ব আমাকে এই পদের দায়িত্ব দিয়েছেন। তার পরেই করোনা এবং লকডাউন হয়েছে। কিন্তু তারই মধ্যে এদিনের মহামিছিল করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে মালদায় তৃণমূলের শক্তি কতটা বেড়েছে। বিজেপির এখানে কোন স্থান নেই।
এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর বলেন, আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি আদর্শে দল করি। বেশ কিছু সুবিধাবাদী নেতা-নেত্রী আছে, যারা সময় বুঝে অন্য দলে ঝাঁপ মারেন। এরকম নেতা- নেত্রীদের আমাদের দরকার নেই।

Post a Comment